মাঝিথান: সাঁওতাল সমাজের প্রাণকেন্দ্র।
ভূমিকা সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রকৃতিপূজক ধর্মবিশ্বাসের মধ্যে মাঝিথান (Majhithan) […]
ভূমিকা সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রকৃতিপূজক ধর্মবিশ্বাসের মধ্যে মাঝিথান (Majhithan) […]
ভূমিকা “হুল মাহা” বা “সাঁওতাল হুল” ভারতের ইতিহাসের এক গৌরবময় ও বীরত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ব্রিটিশ শাসন, জমিদারি
‘কুলহি দুড়ুপ’ (Kulhi Durup) হলো সাঁওতাল সমাজের ঐতিহ্যবাহী গ্রাম্য বিচারসভা ও প্রশাসনিক পরিষদ। (Folk Sects, 2019) সাঁওতালি ভাষায় ‘কুলহি’ মানে
সাঁওতাল সমাজে নারী মাঝি ভূমিকা সাঁওতাল সমাজে ‘নারী মাঝি’ হলেন গ্রামের প্রধান। তিনি গ্রামের নেতৃত্ব দেন এবং সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
সাঁওতাল সমাজের প্রশাসনিক কাঠামো সুসংগঠিত এবং প্রথাভিত্তিক। (Roy, 1912) গ্রাম পরিচালনা, বিচারব্যবস্থা, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য আতু
মাঝি পারগানা ব্যাবস্থা পুরো সাঁওতাল সমাজের সম্মিলিত একটি প্রতিষ্ঠান। ডব্লিউ.জি. আর্চার বলেছেন, সাঁওতালদের প্রথাগত আইনের একটি উন্নত ব্যবস্থা আছে, যা
অল চিকি লিপির পরিচিতি অল চিকি লিপি—যা সচরাচর ‘অলচিকি’ নামেই পরিচিত—সাঁওতালি ভাষার দাপ্তরিক লিখন পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাঁওতালি হলো
আজোদিয়া বুরু সেন্দরা: অযোধ্যা পাহাড়ের এক চিরন্তন আদিবাসী ঐতিহ্য Sendra/সেন্দরা :পুরুলিয়ার অরণ্য ও পাহাড়ের কোলে অবস্থিত ‘আজোদিয়া বুরু সেন্দরা/Sendra’ আদিবাসী